একটা জিজ্ঞাসাচিহ্নের এমন ক্ষমতা আমি কখনো বুঝি নি আগে, প্রশ্নকম্পিত হতে এত ভয় যে স্বরূপটা বেরিয়ে আসে দ্রুত, এই বিষচোট সামলাতে না-পেরে ক্ষণবাকহারা কেউ নিজেকেই মনে করে ঘন-গোল-কুজা-- সদাশয় আরেকটি প্রশ্নের বিস্ময়, হায় লাইভ প্রশ্নেরা, কত-কে-কী, কোথায়-কখন-কেন ও কীভাবেগুলো
প্রশ্নত্ব ছাপিয়ে প্রশ্নের ভেতরে কেউ খুঁজে পেলে ব্যঙ্গভার, সরল জবাব থেকে সহজেই বেঁকে যেতে পারে পথ তীর্যকতার দিকে, কিছুটা আক্রোশে, ‘যারে দেখতে নারি’র চলন বাঁকার দিকে ব’য়ে দিতে ক্ষোভের প্রবাহ এক বর্জ্যবাহী প্রণালির মতো
মিছে ব্যঙ্গচ্ছবির ছায়ায় ঢাকা পড়া সম্পর্ক ও তার শিথিল বাতাবরণ, নীরব রক্তপাত, আয়ুষ্কালের নরম রজ্জু ছিঁড়ে পড়া স্বপ্নসম্ভব যাত্রার ভবিষ্যৎ আমরা মনে রাখি তবু, উত্তরহীন প্রশ্নার্ত পৃথিবীর হেলে পড়া ছবিটাকে দিগন্তরূপে চিরজীবন দিতে
হায় ধপাস, হায় প্রশ্নের নিচে চাপাপড়া আমাদের ক্লান্ত দীর্ঘশ্বাস-- একটা জবাব তবু খুঁড়ে আন দেখি, বামিয়ানের বুদ্ধমূর্তির মতো ধসে যাওয়া সম্পর্কের ভগ্নস্তূপ থেকে
Jan 26, 2008
জিজ্ঞাসাচিহ্ন
Posted by
মুজিব মেহদী
at
1/26/2008
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
ফেইসবুক প্রতীক
ওয়েবগ্রুপ
|
কবিতাকথা |
Visit this group |
No comments:
Post a Comment